কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক তিনটি অভিযানে ৫ লাখ ৭২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসময় মো. আমিন (২০) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকার বেশি।
বিজিবি সূত্র জানায়, শুক্রবার (৫ জুন) রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর উনচিপ্রাং বিওপির সদস্যরা টেকনাফ সীমান্তের ইছাকের ঘের এলাকায় থার্মাল ডিভাইসের মাধ্যমে তিন সন্দেহভাজন চোরাকারবারিকে শনাক্ত করেন। বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা তিনটি পলিথিনের পোটলা ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়।
পরে তল্লাশি চালিয়ে ওই স্থান থেকে ২ লাখ ১২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ৬ কোটি ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে উখিয়ার পালংখালী সীমান্তের গুইজারখাল এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় দুই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে বিজিবি। এসময় তারা দুটি ব্যাগ ফেলে পালিয়ে যায়। ব্যাগ দুটি তল্লাশি করে ৩ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৯ কোটি টাকা।
একই রাতে বালুখালী বিওপির একটি টহল দল উখিয়ার মাস্টারের ঘের এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. আমিন (২০) নামে এক যুবককে আটক করে। তার কাছে থাকা একটি কাপড়ের পোটলা থেকে ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আটক আমিন উখিয়ার বালুখালী এলাকার বাসিন্দা।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমিন জানিয়েছেন, তিনি মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা থেকে ইয়াবাগুলো সংগ্রহ করে অধিক মূল্যে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করছিলেন।
উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, পালিয়ে যাওয়া মাদক কারবারিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কঠোরতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।




