• ই-পেপার

বিইউপিতে ১৮তম বার্ষিক সিনেট সভা অনুষ্ঠিত

জেসিআই ঢাকা ইস্ট-২০২৬ সালের জন্য সালমা আক্তার হীরা প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
জেসিআই ঢাকা ইস্ট-২০২৬ সালের জন্য সালমা আক্তার হীরা প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত
সংগৃহীত ছবি

জেসিআই ঢাকা ইস্ট’র সাধারণ সভা সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে চ্যাপ্টারের সাধারণ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় সংগঠনের সাংবিধানিক কার্যক্রম সম্পন্ন করাসহ ২০২৬ মেয়াদের জন্য নতুন পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচিত করা হয়। রোববার (২৮ জুন) এ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সালমা আক্তার হীরা জেসিআই ঢাকা ইস্ট-এর ২০২৬ সালের লোকাল প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত ও আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন। দীর্ঘ বিরতির পর কোনো নারী হিসেবে এই চ্যাপ্টারের নেতৃত্ব গ্রহণের মাধ্যমে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করলেন।

নবনির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা হলেন- লোকাল প্রেসিডেন্ট সালমা আক্তার হীরা, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট আনিসুর রহমান রাজীব, জেনারেল লিগ্যাল কাউন্সেল আশিক এলাহী মজুমদার, ভাইস প্রেসিডেন্ট রাইনুল ইসলাম, ভাইস প্রেসিডেন্ট আহমেদ ইমতিয়াজ সামাদ, সেক্রেটারি জেনারেল ইশা খান, কোষাধ্যক্ষ মো. মেহেদী হাসান শুভ, লোকাল ডিরেক্টর ওমর ফারুক ও লোকাল ডিরেক্টর মো. জুবায়ের হোসেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজের বক্তব্যে লোকাল প্রেসিডেন্ট সালমা আক্তার হীরা সদস্যদের আস্থা ও বিশ্বাসের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি কার্যকর নেতৃত্ব, সদস্যদের দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং তরুণ নেতাদের জন্য অর্থবহ সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে জেসিআই ঢাকা ইস্ট’কে আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

জেসিআই (জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল) হলো ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী সক্রিয় নাগরিকদের নিয়ে গঠিত একটি বিশ্বব্যাপী সদস্য-ভিত্তিক অলাভজনক সংগঠন, যা নিজ নিজ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে নিবেদিত। জেসিআই ঢাকা ইস্ট হলো জেসিআই বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা লোকাল অর্গানাইজেশন; এটি নেতৃত্ব উন্নয়ন, সামাজিক প্রভাব সৃষ্টি এবং ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে তরুণ নেতাদের গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

অনুষ্ঠানে জেসিআই বাংলাদেশের জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের বিশিষ্ট কর্মকর্তারা, সিনেটররা, প্রাক্তন জাতীয় ও লোকাল প্রেসিডেন্টরা, বিভিন্ন লোকাল অর্গানাইজেশনের প্রেসিডেন্টরা, সদস্যরা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন; যা সংগঠনের মধ্যে ঐক্য, নেতৃত্ব এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যের মনোভাবকে প্রতিফলিত করে।

রেমিট্যান্সসেবা সহজ করতে নগদ ও রূপালী ব্যাংকের চুক্তি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রেমিট্যান্সসেবা সহজ করতে নগদ ও রূপালী ব্যাংকের চুক্তি
সংগৃহীত ছবি

দেশের প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আরো দ্রুত ও সহজে প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবা নগদ ও রূপালী ব্যাংক পিএলসির মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর দিলকুশায় রূপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এসংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে নগদের পক্ষে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ এবং রূপালী ব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম।

এই চুক্তির আওতায় বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ হাউস, মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) কিংবা ব্যাংকের মাধ্যমে রূপালী ব্যাংকে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারবেন। রূপালী ব্যাংকের পক্ষে নগদ সরাসরি সেই অর্থ সুবিধাভোগীদের মোবাইল ওয়ালেটে পৌঁছে দেবে। ফলে দেশের যেকোনো স্থান থেকে উপকারভোগীরা ২৪ ঘণ্টা রেমিট্যান্স গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারবেন।

দেশে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত করতে, নগদ নিয়মিতভাবে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছে। রেমিট্যান্স গ্রহণে বাড়তি সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সময়ে সময়েই প্রবাসী ও তাদের পরিবারের জন্য বিভিন্ন সচেতনতামূলক ও পুরস্কারভিত্তিক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি ‘হার না মানা হার’ শিরোনামে একটি ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে নগদের মাধ্যমে রেমিট্যান্স গ্রহণকারী প্রবাসী পরিবারের সদস্যদের জন্য স্বর্ণের হার জয়ের সুযোগও দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নগদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মোহাম্মদ শাহীন সারওয়ার ভূঁইয়া, রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মো. আহসানুল হক বাশারসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। রূপালী ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, ব্যাংকটির উপব‍্যবস্থাপনা পরিচালক তাহমিনা আখতার, হাসান তানভীর ও মো. হারুনুর রশীদ, মহাব‍্যবস্থাপক মোহাম্মদ শাহেদুর রহমান, মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী, মো. ইসমাইল হোসেন শেখ, মো. মঈন উদ্দিন মাসুদ, সালামুন নেছা ও রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান এ কে এম জাকির হোসেনসহ ব্যাংকটির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, ‘প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স এর প্রতিটি পয়সা দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রূপালী ব্যাংকের সঙ্গে এই অংশীদারির ফলে উপকারভোগীরা দ্রুত, নিরাপদ এবং ঝামেলাহীনভাবে সরাসরি নগদ ওয়ালেটে রেমিট্যান্স গ্রহণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে দেশের যেকোনো প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা নগদের বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সহজে এই অর্থ ব্যবহার কিংবা প্রয়োজন হলে সর্বনিম্ন খরচে ক্যাশআউট করতে পারবেন। এই উদ্যোগ বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি এবং দেশের ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে আরো শক্তিশালী করবে।’ 

এ সময় রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক হিসেবে প্রবাসীদের কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স, নিরাপদ ও দ্রুত সময়ে উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দিতে আমরা সব সময়ই বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে থাকি। নগদের সঙ্গে এই চুক্তির ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও রেমিট্যান্স পৌঁছে দেওয়া আরো সহজ হবে। আমরা বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগ বৈধ পথে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রাহকদের আরো উন্নত সেবা নিশ্চিত করবে।’

সম্প্রতি নগদে চালু হয়েছে ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট সেবা এবং ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি) সুবিধা। এর ফলে দেশের প্রায় ১০ লাখ বাংলা কিউআর মার্চেন্টের কাছে এখন নগদ অ্যাপ ব্যবহার করে সহজেই ক্যাশলেস পেমেন্ট করা যাচ্ছে। একই সঙ্গে যেকোনো ব্যাংক হিসাব কিংবা মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট থেকে তাৎক্ষণিকভাবে নগদ ওয়ালেটে অর্থ গ্রহণ এবং নগদ থেকে ব্যাংক বা অন্য এমএফএস অ্যাকাউন্টে অর্থ পাঠানোর সুবিধাও যুক্ত হয়েছে। ফলে বিদেশ থেকে রেমিট্যান্স পাওয়া পরিবারের সদস্যরা নগদ ওয়ালেটে অর্থ গ্রহণের পর তা সহজেই ব্যাংকে স্থানান্তর করতে পারবেন অথবা বাংলা কিউআর ব্যবহার করে কেনাকাটা, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির বিল পরিশোধ, সন্তানের স্কুল-কলেজের ফি প্রদানসহ দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিজিটাল লেনদেন আরো দ্রুত, নিরাপদ ও সহজে সম্পন্ন করতে পারবেন।

আইইউবিতে ‘নারী, সংস্কার ও ধর্ম’ শীষর্ক আন্তবিষয়ক সেমিনার

অনলাইন ডেস্ক
আইইউবিতে ‘নারী, সংস্কার ও ধর্ম’ শীষর্ক আন্তবিষয়ক সেমিনার
সংগৃহীত ছবি

ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) গ্লোবাল স্টাডিজ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (জিএসজি) বিভাগ আয়োজিত ‘উইমেন, রিফর্ম অ্যান্ড রিলিজিয়ন’ শীষর্ক একটি আন্তবিষয়ক সেমিনার গত ২৪ জুন আইইউবি অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ধর্মে নারী-পুরুষের ভূমিকার ব্যাখ্যা নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. পারভীন হাসান। এরপর বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় অংশ নেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব জেনারেল এডুকেশনের ডিন ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সামিয়া হক; সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী ব্যারিস্টার সারা হোসেন; এবং লেখক, গবেষক ও ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের (ইউপিএল) সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ।

প্যানেল আলোচনা সঞ্চালনা করেন আইইউবির গ্লোবাল স্টাডিজ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ এ হুসেইন। আলোচনা শেষে প্রশ্নোত্তর পর্বে আইইউবি এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পারিবারিক আইন, ফৌজদারি আইন, ন্যায়বিচার, সমতা এবং নারী-পুরুষের সামাজিক ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। আলোচনায় অংশ নেন জুলাই যোদ্ধা, ছাত্র অধিকারকর্মী, সংগঠক এবং সামাজিক ন্যায়বিচার ও শিক্ষা সংস্কারকর্মী উমামা ফাতেমা।

স্বাগত বক্তব্য দেন আইইউবির স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক ড. বখতিয়ার আহমেদ। আরো বক্তব্য রাখেন আইইউবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন এবং ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. ড্যানিয়েল ডব্লিউ লুন্ড। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জিএসজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মারুফা আক্তার।

সমাপনী বক্তব্য দেন জিএসজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক মো. শাহনেওয়াজ হোসেন। এই আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলো জিএসজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাব ‘দ্য গ্লোবাল গেইটকিপার্স’।

ফ্লেক্সা ও বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের যৌথ উদ্যোগে সেমিনার অনুষ্ঠিত

ফ্লেক্সা ও বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের যৌথ উদ্যোগে সেমিনার অনুষ্ঠিত

ফ্লেক্সা (FLAXA) ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ‘বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল’ (BPC)-এর যৌথ উদ্যোগে “Traceability to Transparency : Roadmap to Digital Product Passport in the FLG Sector” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকার গুলশানের একটি অভিজাত হোটেলে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

এই সেমিনারে বাংলাদেশের ফুটওয়্যার ও লেদারগুডস (FLG) খাতের ট্রেসেবিলিটি (পণ্যের উৎস ও গতিপথ শনাক্তকরণ), টেকসই উন্নয়ন এবং ডিজিটাল কমপ্লায়েন্স বা নীতি-মালার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে প্রস্তুতকারক, সরকারি প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক, শিল্পখাতের নেতা, উন্নয়ন সহযোগী এবং কারিগরি বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হন।

অনুষ্ঠানে ‘বিল্ড’ (BUILD)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) ফেরদৌস আরা বেগম “Traceability Towards Transparency for Sustainability” (টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে স্বচ্ছতার পথে ট্রেসেবিলিটি) শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তার উপস্থাপনায় বিশ্ববাণিজ্য ও টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন সব প্রয়োজনিয়তা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে এবং জোর দিয়ে বলা হয় যে, বাজারে প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে ট্রেসেবিলিটি একটি প্রধান নিয়ামক হয়ে উঠছে।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল একটি প্যানেল আলোচনা, যেখানে অংশ নেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুর রহিম খান; র‍্যাপিড (RAPID)-এর চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক; বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র প্রাইভেট সেক্টর স্পেশালিস্ট হোসনা ফেরদৌস সুমি এবং FLAXA-এর পরিচালক ইবনুল ওয়ারা।

সেশনটি সঞ্চালনা করেন FLAXA-এর সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর। এই আলোচনায় পুরো খাতজুড়ে ট্রেসেবিলিটি এবং ‘ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্ট’ কাঠামো বাস্তবায়নের সাথে জড়িত সুযোগ ও চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে আরো দুটি উপস্থাপনা ছিল—“ই-ট্রেসেবিলিটি ফর সাসটেইনেবল লেদার : লেসনস ফ্রম দ্য লেদারট্রেস বাংলাদেশ পাইলট প্রোগ্রাম” এবং “রোড টু ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্ট (DPP)”।

FLAXA সকল বক্তা, প্যানেলিস্ট, সহযোগী এবং অংশগ্রহণকারীদের তাদের মূল্যবান অবদান ও সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছে। আমরা এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অব্যাহত রাখতে এবং বাংলাদেশের ফুটওয়্যার ও লেদারগুডস খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক উদ্যোগগুলো এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।