• ই-পেপার

বাংলাদেশে শীর্ষ

বিশ্বের সেরা ১০০ টেকসই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

কুমিল্লায় সিএফমোটো বাংলাদেশের নতুন শোরুম উদ্বোধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
কুমিল্লায় সিএফমোটো বাংলাদেশের নতুন শোরুম উদ্বোধন
সংগৃহীত ছবি

কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় আন্তর্জাতিক মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড সিএফমোটো বাংলাদেশের নতুন শোরুম উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আরজে মোটরসের শোরুম উদ্বোধন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে কম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম সুমন, সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার শামীম আহমেদ, হেড অব মার্কেটিং মো. ফজলে এলাহী তুর্জসহ কম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ও আরজে মোটরসের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ ফরহাদুল হাসান (সুমন) উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিএফমোটোর নতুন মডেলের মোটরসাইকেল ও বৈদ্যুতিক স্কুটার প্রদর্শন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—এসআর ৩০০, এসআর ২৫০, এনকে ২৫০, এনকে ৩০০, সিএলসি ২৫০ এবং জিহো এইই ৭ বৈদ্যুতিক স্কুটার।

প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আকর্ষণীয় নকশার সমন্বয়ে তৈরি এসব মডেল দেশের মোটরসাইকেলপ্রেমীদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবে। কুমিল্লা ও আশপাশের অঞ্চলের গ্রাহকদের উন্নত বিক্রয়োত্তর সেবা এবং খুচরা যন্ত্রাংশের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতেই কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় নতুন এই শোরুম চালু করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় ব্যবসায়ী, দেশের বিভিন্ন বাইকার সংগঠন ও মোটরসাইকেলপ্রেমী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহীর মৌসুম এখন এক ভ্রমণ-গন্তব্য

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রাজশাহীর মৌসুম এখন এক ভ্রমণ-গন্তব্য

ভোরের আলো তখনো পুরোপুরি ফোটেনি। কুয়াশায় মোড়া রাজশাহীর আমবাগানে শিশিরভেজা পাতার ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে সূর্য। গাছের ডালে দুলছে পাকা আম, আর তার নিচে দাঁড়িয়ে একদল তরুণ-তরুণী। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও করছেন, কেউবা শুধু চোখ ভরে দেখছেন এই অপরূপ দৃশ্য। এরা কেউ স্থানীয় নন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে ছুটে এসেছেন শুধু একটাই টানে, আম।

রাজশাহী মানেই আম, এ কথা নতুন নয়। কিন্তু গত কয়েক বছরে এই পরিচয়ে যুক্ত হয়েছে নতুন এক মাত্রা। আমের মৌসুম এখন আর শুধু চাষি আর ব্যবসায়ীর ব্যস্ততা নয়। এটি হয়ে উঠেছে এক জীবন্ত উৎসব, এক ভ্রমণ-গন্তব্য। যাকে অনেকেই বলছেন "ম্যাঙ্গো ট্যুরিজম"।
আর এই উৎসবের প্রাণকেন্দ্র বানেশ্বরের আমের হাট। রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় অবস্থিত এই হাট দেশের অন্যতম বৃহৎ ও প্রাচীন আমের বাজার। যার ইতিহাস বহু দশকের পুরোনো। 

প্রতিদিন ভোর হওয়ার আগেই এখানে জেগে ওঠে এক জীবন্ত জগৎ। মৌসুমের সময় হাটে ঢুকলে চোখে পড়ে অবিশ্বাস্য ব্যস্ততা, ভ্যান, ট্রাক আর ভটভটিতে বোঝাই হয়ে আসছে ঝুড়ি ঝুড়ি আম। ওজনের পাল্লা দুলছে অবিরাম, হাঁকডাকে মুখর গোটা এলাকা। কোথাও চলছে তুমুল দরদাম, কোথাও কাঁধে বোঝা নিয়ে ছুটছেন শ্রমিকেরা, কোথাও আবার প্যাকেট হয়ে আম উঠছে দূরের জেলার উদ্দেশে। এই একটি হাটকে ঘিরেই প্রতি মৌসুমে কোটি কোটি টাকার লেনদেন, আর হাজারো পরিবারের জীবিকা। 

বানেশ্বরের ঐতিহ্যবাহী এই হাট, সারি সারি আমবাগান, গাছ থেকে সরাসরি আম পাড়ার অভিজ্ঞতা, এসবই এখন পর্যটকদের কাছে বড় আকর্ষণ। কেউ আসেন পরিবার নিয়ে একদিনের জন্য, কেউ থাকেন কয়েক দিন। বাগানের মালিকেরাও এখন অতিথিদের স্বাগত জানাতে শিখছেন, কেউ কেউ গড়ে তুলেছেন ছোট ছোট থাকার ব্যবস্থা, বাগানে বসে আম খাওয়ার আয়োজন।

আর এই পুরো অভিজ্ঞতাটা শুধু রাজশাহীতেই থেমে থাকছে না। একজন তরুণী বাগানে দাঁড়িয়ে রিল বানাচ্ছেন, কয়েক সেকেন্ডে তা পৌঁছে যাচ্ছে হাজারো মানুষের কাছে। কমেন্টে ভিড় করছে একটাই প্রশ্ন, 'এই জায়গাটা কোথায়? আমিও যেতে চাই!' একটা আমকে ঘিরে গড়ে ওঠা এই গল্প এখন ছড়িয়ে পড়ছে গোটা দেশে, সংযোগের পথ ধরে, হাতের মুঠোয় থাকা ফোনের মাধ্যমে। যে নেটওয়ার্ক এই গল্পগুলোকে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে পৌঁছে দিচ্ছে, তার পেছনে নীরবে কাজ করছে গ্রামীণফোনের মতো সঙ্গীরা।

এই বদলে যাওয়া দৃশ্যের সবচেয়ে সুন্দর দিকটি হলো এতে উপকৃত হচ্ছেন সবাই। চাষি পাচ্ছেন ন্যায্য দাম, তরুণ উদ্যোক্তা পাচ্ছেন নতুন বাজার, স্থানীয় অর্থনীতি পাচ্ছে নতুন প্রাণ, আর পর্যটক পাচ্ছেন এক দারুণ অভিজ্ঞতা। একটা সাধারণ ফল কীভাবে গড়ে তুলতে পারে একটা গোটা জগৎ, রাজশাহীর এই মৌসুম তারই জীবন্ত উদাহরণ।

তাই এবার গ্রীষ্মে, যদি নতুন কিছু খুঁজে থাকেন তাহলে ব্যাগ গুছিয়ে রওনা দিন রাজশাহীর পথে। কারণ এখানে শুধু আম নয়, অপেক্ষা করছে একটা পুরো গল্প। আম থেকেই হোক আপনার পরের আমেজিং অভিজ্ঞতা।

সোনালী ব্যাংকে হুইসেলব্লোয়ার দিবস উপলক্ষে সেমিনার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সোনালী ব্যাংকে হুইসেলব্লোয়ার দিবস উপলক্ষে সেমিনার
সংগৃহীত ছবি

সোনালী ব্যাংক পিএলসির উদ্যোগে ‘প্রতিষ্ঠানে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় হুইসেলব্লোয়িংয়ের কৌশলগত ভূমিকা : প্রেক্ষিত সোনালী ব্যাংক পিএলসি’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিশ্ব হুইসেল ব্লোয়ার দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। 

সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন ব্যাংকের ন্যায়পাল সচিবালয়ের ন্যায়পাল মোহাম্মদ মাসরুরুল ইসলাম। ব্যাংকের এমডি এবং সিইও মো. শওকত আলী খানের সভাপতিত্বে সেমিনারে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশ নেন ব্যাংকের পরিচালক মোল্লা আব্দুল ওয়াদুদ, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও মো. মোফাজ্জল হোসেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপসচিব আফরোজা আক্তার রিবা।

সেমিনারে অন্যদের মধ্যে ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টরবৃন্দ, জেনারেল ম্যানেজারবৃন্দ, বিভিন্ন নির্বাহী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

শিশুর বিকাশে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন : ববি হাজ্জাজ

অনলাইন ডেস্ক
শিশুর বিকাশে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন : ববি হাজ্জাজ
সংগৃহীত ছবি

শিশুর প্রাথমিক বিকাশ নিশ্চিত করতে পাঠ্যক্রম ও শিক্ষক উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, এমপি। তিনি বলেন, ‘শিশু কিভাবে শিখবে এবং শিক্ষক কিভাবে তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবেন, তার ভিত্তি তৈরি করে পাঠ্যক্রম। তাই প্রাথমিক শৈশব বিকাশে পাঠ্যক্রম সংস্কারকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে।’

সোমবার (২২ জুন) ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে (আইইউবি) আয়োজিত ‘ন্যাশনাল ডায়ালগ অন আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট : পলিসি অ্যান্ড প্র্যাকটিস’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইইউবির স্কুল অব ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথের (এসপিপিএইচ) অধীন পাবলিক হেলথ বিভাগ এ সেমিনারের আয়োজন করে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুদের শেখার প্রক্রিয়ায় মুখস্থনির্ভরতা ও পরীক্ষার ফলাফলের চেয়ে চিন্তাশক্তি, কৌতূহল, যোগাযোগ দক্ষতা ও সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বিকাশের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার ও শিক্ষা পদ্ধতি আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে। শিশুর প্রাথমিক বিকাশের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ের অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে সংলাপ আয়োজন করায় আইইউবির প্রশংসা করেন প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন, ট্রাস্টি জাভেদ হোসেন এবং ন্যাশনাল একাডেমি ফর প্রাইমারি এডুকেশনের (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমেদ।

ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘প্রাথমিক শৈশব বিকাশ শুধু বিদ্যালয় বা সরকারের দায়িত্ব নয়; এতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন। এটি শুধু শ্রেণিকক্ষ বা অবকাঠামোর বিষয় নয়, বরং শিশুদের শেখা, বিকাশ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরির বিষয়।’

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক তামিম বলেন, ‘শিশুর প্রাথমিক বিকাশ ও উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও অংশীজনদের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে আইইউবি অত্যন্ত আগ্রহী।’

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্কের (বিইএন) ভাইস চেয়ার মাহমুদা আখতার। তিনি প্রাথমিক শৈশব বিকাশের গুরুত্ব এবং প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুদের বিকাশে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

আইইউবির স্কুল অফ ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথের ডিন ডা. কামরান উল বাসেত শিক্ষক উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ বিষয়ে আরেকটি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং পরে উন্মুক্ত আলোচনা পর্ব পরিচালনা করেন। এতে সরকারি সংস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য দেন আইইউবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ড্যানিয়েল ডব্লিউ লুন্ড। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পাবলিক হেলথ বিভাগের সিনিয়র লেকচারার ড. তানভীর আহমেদ। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. বিলকিস বানু।

বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্ক (বিইএন) শিশুদের প্রাথমিক বিকাশ নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও পেশাজীবীদের একটি জাতীয় প্ল্যাটফর্ম। আইইউবি এই নেটওয়ার্কের নির্বাহী সদস্য।