• ই-পেপার

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই, পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৬৭ হাজার

দুই মাসের বকেয়াসহ জুলাই থেকেই নিয়মিত বেতন পাবেন মাদরাসাশিক্ষকরা : শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
দুই মাসের বকেয়াসহ জুলাই থেকেই নিয়মিত বেতন পাবেন মাদরাসাশিক্ষকরা : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। ছবি : সংগৃহীত

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, আগামী জুলাই মাস থেকে মাদরাসাশিক্ষকদের বেতন নিয়মিত দেওয়া হবে। একই সঙ্গে দুই মাসের বকেয়া বেতনও জুলাই মাসেই পরিশোধ করা হবে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ফাজিল ও কামিল স্তরের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কৃতী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গত সেপ্টেম্বর থেকে এনটিআরসির মাধ্যমে প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় এসব পদে নিয়োগ দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকার নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করেছে, যা প্রশংসনীয় উদ্যোগগুলোর মধ্যে একটি। কিন্তু তারা বাজেটে টাকা রাখেনি।  

তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর দেখা গেল ৫০১ কোটি টাকা প্রয়োজন, কিন্তু সেটাও নেই। অন্তর্বর্তী সরকার বাজেটে টাকা রাখেনি বলে মাদরাসাশিক্ষকদের ২ মাসের বেতন দেওয়া যায়নি। তবে জুলাই মাস থেকে বকেয়াসহ বেতন নিয়মিত হবে। 

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী জানান,  ইসলামী শিক্ষায় যারা পড়াশোনা করছেন তাদের দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে জীবনযাপন করতে হবে।

এ সময় সংসদে জামায়াতে ইসলামী কতটা ইসলামী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সেই আলোচনার কথা জানিয়ে শিক্ষার্থীদের মূল ইসলামের পথে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

কৃষি সহকারী শিক্ষকদের জন্য সুখবর, ১০ম গ্রেডে বেতনের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
কৃষি সহকারী শিক্ষকদের জন্য সুখবর, ১০ম গ্রেডে বেতনের নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

বেসরকারি কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদের বেতন স্কেল ও গ্রেড পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। যেসব শিক্ষক ১১ গ্রেডে চাকরিতে যোগদান করেছেন, তাদের এখন থেকে ১০ম গ্রেডে বেতন দেওয়া হবে।

গতকাল সোমবার মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখার সহকারী পরিচালক (অর্থ) মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদারের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে যেসব শিক্ষক সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে ১১ কোডে যোগদান ও এমপিওভুক্ত হয়েছেন, তাদের ১০ কোডে বেতন নির্ধারণের জন্য মেমিস সফটওয়্যারে ‘পুনঃনিয়োগ’ অপশনে আবেদন করতে হবে।

এর আগে গত ৯ জুন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়ার সই করা এক পরিপত্রের মাধ্যমে সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদের কাম্য শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বেতন স্কেল সংশোধন করা হয়।

কারা পাবেন ১০ম গ্রেড?

নতুন সংশোধিত পরিপত্র অনুযায়ী, স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি, কৃষি অর্থনীতি, মৎস্য, পশুপালন, কৃষি প্রকৌশল, বনবিদ্যা, পরিবেশ বিজ্ঞান, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, মৃত্তিকা বিজ্ঞান বা ডিভিএম বিষয়ের যেকোনো একটিসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকলে সরাসরি ১০ম গ্রেডে (১৬ হাজার-৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা) বেতন প্রাপ্য হবেন। এছাড়া ন্যূনতম ৩ বছর মেয়াদি কৃষি ডিপ্লোমা বা সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলেও ১০ম গ্রেড পাওয়া যাবে। 

অন্যদিকে, উদ্ভিদবিদ্যা বা প্রাণিবিদ্যা বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীরা শুরুতে ১১তম গ্রেডে (১২ হাজার ৫০০-৩০ হাজার ২৩০ টাকা) বেতন পেলেও পরে বিএড ডিগ্রি অর্জন সাপেক্ষে ১০ম গ্রেডের সুবিধা পাবেন। তবে সমগ্র শিক্ষা জীবনে একটির বেশি ৩য় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য হবে না।
পরিপত্রে আরো উল্লেখ করা হয়, এই পদের জন্য সাধারণ বয়সসীমা অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর হলেও সমপদের ইনডেক্সধারীদের জন্য বয়সসীমা শিথিলযোগ্য থাকবে। 

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, সংশোধিত এই নিয়মটি অবিলম্বে কার্যকর করা হবে। আদেশের অনুলিপি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অধিদপ্তর, ব্যানবেইস, এনটিআরসিএ, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তন না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তন না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শেখ পরিবারের নামে থাকা পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের বিষয়ে সিনেটে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়ায় অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছেন ডাকসুর পাঁচ সিনেট সদস্য।

সোমবার (২৯ জুন) রাত সোয়া ১০টার দিকে সিনেট অধিবেশন চলাকালে তারা এই ওয়াকআউট করেন।

ওয়াকআউট করা ছাত্র প্রতিনিধিরা হলেন— ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদ, এজিএস মুহাম্মদ মহিউদ্দিন, পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ এবং সদস্য সাবিকুন্নাহার তামান্না। এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম তাদের ওয়াকআউট না করার জন্য অনুরোধ জানান।

ডাকসু ও শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে গত ৮ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের সভায় শেখ পরিবারের নামে থাকা পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের বিষয়টি সিনেটে উত্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

নাম পরিবর্তনের তালিকায় থাকা স্থাপনাগুলো হলো— শেখ মুজিবুর রহমান হল, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, শেখ রাসেল টাওয়ার, বঙ্গবন্ধু টাওয়ার ও ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির শহীদ অ্যাথলেট সুলতানা কামাল হোস্টেল।

আজ রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপাচার্য বিষয়টি এজেন্ডা হিসেবে সিনেট অধিবেশনে উত্থাপন করলে সদস্যরা বিভিন্ন বক্তব্য ও মতামত উপস্থাপন করেন। সিনেট সদস্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান যথাযথ প্রক্রিয়া বজায় রেখে বিষয়টি পুনরায় সিন্ডিকেটে তোলার দাবি জানান। অন্যদিকে, অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফা নাম পরিবর্তনের বিষয়ে আপত্তি প্রকাশ করেন।

ওয়াকআউট করা ডাকসু সিনেট প্রতিনিধিরা জানান, শেখ পরিবারের নামে থাকা স্থাপনার কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীরা নানাভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। উদাহরণ হিসেবে তারা বলেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’-এর ব্যানার নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে। এছাড়া হলের বিভিন্ন ক্লাব পরিচালনার জন্য কোনো স্পনসরও পাওয়া যাচ্ছে না। ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদ দাবি জানান, বিষয়টি যদি পুনরায় সিন্ডিকেটে পাঠাতেই হয়, তবে একটি নির্দিষ্ট ফিডব্যাকসহ পাঠানো উচিত।

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের পর অন্তর্বর্তী সরকার শেখ পরিবারের নামে থাকা আটশতাধিক প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব স্থাপনার ক্ষেত্রে বীরশ্রেষ্ঠসহ অন্যান্য বরেণ্য ব্যক্তিদের নাম বিবেচনায় আনা যেতে পারে।’

অধিবেশনে সিনেট সদস্য ফজলুল হক মিলন ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’-এর নাম পরিবর্তন করে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নামে নামকরণের প্রস্তাব দেন।

সার্বিক আলোচনার পর, চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বিষয়টি পুনরায় সিন্ডিকেটে পাঠানোর নির্দেশ দেন। উপাচার্যের এই সিদ্ধান্তের পরই ডাকসু নেতারা অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন।

বিসিএস ক্যাডার হয়ে স্কুল শিক্ষক বাবার স্বপ্নপূরণ করলেন আশফিক

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
বিসিএস ক্যাডার হয়ে স্কুল শিক্ষক বাবার স্বপ্নপূরণ করলেন আশফিক
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ী ইউনিয়নের রাজনগর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোখলেছুর রহমান ভূঞার ছেলে আশফিকুর রহমান ভূঞা।

৪৭তম বিসিএসে আশফিকুর রহমান ভূঞা অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছেন। ২৮ জুন প্রকাশিত ৪৭তম বিশেষ বিসিএসের ফল অনুযায়ী তিনি কৃষি ক্যাডারে সহকারী পরিচালক/উপজেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এতে তার স্কুল শিক্ষক বাবার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন সফল হলো।

আশফিক রহমান ভূঞা নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ী ইউনিয়নের রাজনগর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোখলেছুর রহমান ভূঞার ছেলে। 

তার শিক্ষাজীবনের ভিত্তি গড়ে ওঠে কেন্দুয়া উপজেলার দক্ষিণ রাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। পরে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ থেকে টেলেন্টপুলে জেএসসি বৃত্তি লাভ করেন এবং পাশ্বর্বর্তী কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২০১৫ সালে  জিপিএ-৫ পেয়ে ঢাকা সিটি কলেজ ভর্তি হন এবং সেখান থেকে ২০১৭ সালে জিপিএ-৫ পেয়ে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। এরপর ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৭-২০১৮ সেশনে কৃষি অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হয়ে একাডেমিক উৎকর্ষ, অধ্যবসায় ও লক্ষ্যনিষ্ঠার মাধ্যমে নিজেকে দক্ষ ও প্রতিযোগিতামুখী হিসেবে গড়ে তোলেন। সেখান থেকে তিনি অনার্স ও মাস্টার্সে কৃতিত্বের সহিত ১ম শ্রেণি অর্জন করেন। 

তার বাবা মোখলেছুর রহমান ভূঞা কিশোরগঞ্জ জেলার সরাচর বালিকা বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। মা হোসনে আরা বেগম সরকারি চাকরিজীবী। ৩ ভাইয়ের মধ্যে আশফিক সবার ছোট। বড় দুই ভাই নোয়াখালী বিজ্ঞান  ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করে একজন প্রাইভেট কম্পানিতে উচ্চতর পদে চাকরি করছেন, আরেকজন চাকরির জন্য চেষ্টা করছেন। 

কথা হয় আশফিকের বাবা মোখলেছুর রহমান ভূঞার সঙ্গে। তিনি ছেলের খুশির খবর শুনেই প্রথমে আনন্দে কান্না করে দেন। তিনি প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আমার ছেলে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্নপূরণ করেছে। দোয়া করি আমার ছেলে সততার সহিত তার জীবন পরিচালনা করুক এবং অনেক বড় হউক। আশফিক পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রিকেট, ফুটবল খেলতে খুব ভালোবাসতেন। তিনি মনে করেন, মনোবল ঠিক রাখার জন্য খেলাধুলার বিকল্প নেই। 

নিজের অনুভূতি জানিয়ে আশফিক বলেন, ‘আল্লাহর রহমত, বাবা-মা ও আত্মীয়স্বজনদের দোয়া এবং শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা ছাড়া এ অর্জন সম্ভব হতো না। তার এ সাফল্যের পেছনে বড়ভাইয়েরাও সবচেয়ে বেশি সাহস ও শক্তি জুগিয়েছেন। বিসিএসে ভালো ফল করার পেছনে নিয়মিত পড়াশোনা, ধৈর্য এবং নিজের ওপর আস্থা রাখা সবচেয়ে বেশি সহায়ক ছিল। যারা বিসিএসের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের বলব—পরিকল্পনা মেনে পড়াশোনা করুন, হতাশ না হয়ে ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যান, সাফল্য আসবেই ইনশাআল্লাহ।

শেষে আশফিক বলেন, আমি আমার গ্রামের মানুষের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। তাই ছেলেবেলার স্মৃতিবিজড়িত স্থানের মানুষের পাশে সবসময় থাকতে চাই।’

বিসিএসে সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরব আরো উজ্জ্বল করেছেন। বিশেষ করে  ৪৭তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডারে উপপরিচালক/উপজেলা বিপণন কর্মকর্তা হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়া তাঁর ধারাবাহিক প্রস্তুতি, মেধা ও কঠোর পরিশ্রমের উজ্জ্বল স্বীকৃতি। এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সহপাঠী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য ও কর্মজীবনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।