• ই-পেপার

আমাদের ধমক দিয়ে লাভ হবে না : শিক্ষামন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

আমাদের দেশে মাদ্রাসা পরিদর্শকের সংখ্যা অপ্রতুল : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আমাদের দেশে মাদ্রাসা পরিদর্শকের সংখ্যা অপ্রতুল : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আমাদের দেশে মাদ্রাসা পরিদর্শকের সংখ্যা অপ্রতুল। তাই মাদ্রাসাগুলো যথাযথভাবে পরিদর্শন করা সম্ভব হয় না। এ জন্য মাদ্রাসা বোর্ডগুলোকে অন্যান্য বোর্ডগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে মাদ্রাসা পরিদর্শন বৃদ্ধি করতে হবে।

শুক্রবার (২৬ জুন) দিনাজপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটরিয়ামে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময়সভায় তিনি এসব কথা বলেন। দিনাজপুরের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এবং রংপুর বিভাগের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দের সঙ্গে এই মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে আমরা অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিচ্ছি। আগামীতে কমন বিষয়গুলোতে মাদ্রাসা ও কারিগরিতেও অভিন্ন প্রশ্নপত্র করা হবে।

তিনি আরো বলেন, আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে কেউ গুজব ছড়ালে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশ্নফাঁস বিষয়ে গুজব ছড়ালে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। যারা প্রশ্নফাঁস নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করবেন, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ আইনসম্মত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং আটক করবে।

সভার শুরুতে শিক্ষামন্ত্রী বোর্ডের অধীন বিভিন্ন কলেজের ফলাফল বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষদের মতামত শোনেন। এতে সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইলিয়াস আহমেদ।

ঢাবিতে দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবিতে দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত
ছবি: কালের কণ্ঠ

‘ফলদ ও বনজ বৃক্ষে সমৃদ্ধ করি পরিবেশ’—প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ঢাকা ইউনিভার্সিটি ফ্রেন্ডস অ্যালায়েন্স এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ সংসদ যৌথভাবে এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অমর একুশে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াছ আল-মামুন, ডুফার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ সংসদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ কামাল অনিক এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. আবু রাফি উপস্থিত ছিলেন। প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বৃক্ষরোপণের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শুধু গাছ লাগানোই যথেষ্ট নয়, বরং যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে গাছের বেঁচে থাকার হার বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। গাছের পরিচর্যা করার সক্ষমতা বিবেচনা করেই বৃক্ষরোপণের পরিসর এবং সংখ্যা নির্ধারণ করা উচিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।


 
বক্তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় ব্যাপকভাবে ফলদ ও বনজ বৃক্ষ রোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ শুধু সবুজায়ন বৃদ্ধি করে না, বরং বিশুদ্ধ বায়ু নিশ্চিত করা, খাদ্য ও প্রাকৃতিক সম্পদের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ও টেকসই পৃথিবী গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাঁরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে দেশীয় বৃক্ষপ্রজাতিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।  

পরে প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ সংলগ্ন লনে আম গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এরপর ফজলুল হক মুসলিম হল প্রাঙ্গণেও একটি গাছ লাগানো হয়।

জাবিতে ইসলামিক স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের ৬ বিভাগ নিয়ে শিক্ষকদের মতভেদ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জাবিতে ইসলামিক স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের ৬ বিভাগ নিয়ে শিক্ষকদের মতভেদ
ছবি: কালের কণ্ঠ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) প্রস্তাবিত ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক স্টাডিজ অ্যান্ড থিওলজি–এর অধীনে ছয়টি একাডেমিক বিভাগ চালুর প্রস্তাব নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। আগামী ২৭ জুন অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম বার্ষিক সিনেট সভায় ইনস্টিটিউটের সংবিধি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। প্রস্তাবটি পাস হলে নতুন বিভাগগুলো চালুর পথ উন্মুক্ত হবে।

প্রস্তাবিত বিভাগগুলো হলো— আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, ইসলামিক হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার, ইসলামিক ল, ফিকহ অ্যান্ড জুরিসপ্রুডেন্স, ইসলামিক ফিলোসফি, এথিকস অ্যান্ড কমপারেটিভ রিলিজিয়ন এবং অ্যারাবিক ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড লিটারেচার।

তবে প্রস্তাবটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে। একাংশের মতে, বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), প্রকৌশল, চিকিৎসাবিজ্ঞান, খাদ্য ও কৃষির মতো উদীয়মান বিষয়ে নতুন বিভাগ চালু করাই বেশি প্রয়োজন। অন্যদিকে, সমর্থকদের দাবি, এই উদ্যোগ ইসলামী উচ্চশিক্ষার আধুনিকায়নের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের একটি চাহিদা পূরণ করবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৩ জুন একাডেমিক কাউন্সিলের ১৩৯তম সভায় ইনস্টিটিউটের কাঠামো প্রণয়নের জন্য একটি সুপারিশ কমিটি গঠন করা হয়। পরে একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটে প্রস্তাবটি অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়। এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য এটি সিনেটে তোলা হচ্ছে।

ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক গবেষণা ফেলো অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রস্তাবিত অধিকাংশ বিষয়ই লিবারেল আর্টসের অন্তর্ভুক্ত। বিশ্বজুড়ে এসব বিষয়ের চাহিদা কমছে। এ অবস্থায় নতুন বিভাগ চালু করা হলে তা কর্মসংস্থানের চেয়ে রাজনৈতিক বিবেচনায় নেওয়া সিদ্ধান্ত বলেই প্রতীয়মান হবে।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে ‘ইসলামিক হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার’ ছাড়া বাকি বিষয়গুলো সাধারণত স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে পরিচালিত হয় না। আল-কুরআন ও আল-হাদিসকে একীভূত করে একটি বিভাগ করা যেতে পারে বলেও মত দেন তিনি।

আইন ও বিচার অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম বলেন, আইন অনুষদের অধীনে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ‘ল অ্যান্ড পাবলিক পলিসি’ বিভাগ। ইসলামিক ল ও ফিকহ বিষয়ে আলাদা বিভাগ চালুর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। তার মতে, বিদ্যমান আইন পাঠ্যক্রমেই এসব বিষয়ের উল্লেখযোগ্য অংশ পড়ানো হয় এবং এ বিষয়ে আলাদা কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রও সীমিত।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের এক অধ্যাপক বলেন, নতুন বিভাগ চালু করতে হলে এআই, প্রকৌশল, চিকিৎসাবিজ্ঞান, খাদ্য ও কৃষির মতো বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। প্রয়োজন হলে ইসলামিক স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের অধীনে শুধু স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা যেতে পারে।

তিনি আরো বলেন, এতগুলো পৃথক বিভাগ চালুর ফলে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বাড়বে এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক ও মানসিক দূরত্ব তৈরির আশঙ্কাও রয়েছে।

অন্যদিকে, সুপারিশ কমিটির আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক এম মাহফুজুর রহমান বলেন, দেশের অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই এ ধরনের বিভাগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এ ধরনের ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার দাবি ছিল।

তার ভাষ্য, বাংলাদেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলিম। দেশের নিজস্ব ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তবতা বিবেচনায় আধুনিক ইসলামী উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। এসব বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হলে ইসলামী শিক্ষা ও আধুনিক জ্ঞানের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম আব্দুর রব বলেন, প্রস্তাবটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। সিনেটে অনুমোদন পেলেও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদন ছাড়া কোনো ইনস্টিটিউট বা বিভাগ চালু করা যাবে না।

তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, চিকিৎসাবিজ্ঞান, প্রকৌশল এবং খাদ্য ও কৃষি বিষয়ে নতুন অনুষদ ও বিভাগ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও একাডেমিক কাউন্সিলে উপস্থাপন করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, সিনেটে আলোচনা শেষে সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ধর্মীয় বিষয়ে বিদ্যমান ভুল ধারণা ও জ্ঞানের ঘাটতি দূর করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো উন্মুক্ত পরিবেশে গবেষণাভিত্তিক উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে গুজব ছড়ালে পুলিশ আটক করবে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে গুজব ছড়ালে পুলিশ আটক করবে : শিক্ষামন্ত্রী
ফাইল ছবি

আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে গুজব ছড়ালে এবং তা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করলেই তাকে পুলিশ আটক করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

আজ শুক্রবার বিকেলে দিনাজপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত মতবিনিময়সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিয়ে কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এ সভার আয়োজন করে।

মন্ত্রী বলেন, এর আগে আমরা ছাড় দিয়েছি। এবার কিন্তু ছাড় দেব না। যে বা যারাই প্রশ্নফাঁস নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করবেন, তাকেই পুলিশ আটকাবে। কারণ তাকে তো আগে পুলিশ কাস্টডিতে নিতে হবে, জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। তার কাছ থেকে তথ্য নেওয়া হবে, তাকে তথ্য দিতেই হবে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, এবার ৯টা সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে আমরা পরীক্ষা নিচ্ছি। আগামী দিনে কমন সাবজেক্টে (একই বিষয়) মাদরাসা ও কারিগরিতেও অভিন্ন প্রশ্নপত্র করা হবে। এটাকে আমরা একই ধারায় আনতে চাই। সবার যোগ্যতা একই করে গওড়ে তুলতে হবে।

সভার শুরুতেই শিক্ষামন্ত্রী বোর্ডের অধীন বিভিন্ন কলেজের ফলাফল বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষদের মতামত শোনেন।

দাখিল ও আলিমে ধারাবাহিকভাবে ভালো ফল করা একটি মাদরাসার একজন অধ্যক্ষ সভায় জানান, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা যেখানে ১২০০ নম্বরের পরীক্ষা দেন, সেখানে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ১৭০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে সুযোগ পেতে মাদরাসায় বাংলা-ইংরেজিতে ২০০ নম্বর করা হয়েছে৷ এটা কমিয়ে আগের মতো ১০০ নম্বরের করার দাবি জানান তিনি।

তবে শিক্ষামন্ত্রী তার এ দাবি মানা সম্ভব নয় বলে জানান। মন্ত্রী বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন একজন শিক্ষার্থী যাবেন, তখন তাকে ওখানে সবার সঙ্গে একই ধারায় যেতে হবে। সেজন্য বাংলা ও ইংরেজিতে ২০০ নম্বরের করার দরকার আছে। এটা থাকবে।

মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন দিনাজপুর বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইলিয়াস আহমেদ।