• ই-পেপার

ঋণ নিষ্পত্তিতে বড় ছাড়, এক্সিট পলিসি জারি

সনি-র‍্যাংগসে বিশেষ ছাড় পাবেন ইউএস-বাংলার যাত্রীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
সনি-র‍্যাংগসে বিশেষ ছাড় পাবেন ইউএস-বাংলার যাত্রীরা

গ্রাহকদের বাড়তি সুবিধা দিতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসএবং র‍্যাংগস ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের (সনি-র‍্যাংগস) মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি সই হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের যাত্রীরা দেশজুড়ে অবস্থিত সনি-র‍্যাংগস শোরুম থেকে টিভি, ফ্রিজ, এসি এবং অন্যান্য হোম অ্যাপ্লায়েন্স কেনার ক্ষেত্রে সনি-র‍্যাংগসের চলমান অফারমূল্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ ছাড় পাবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ১ জুলাই থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে ভ্রমণকারী গ্রাহকদের বোর্ডিং পাসের সঙ্গে একটি করে ডিসকাউন্ট কুপন প্রদান করা হবে। যাত্রীরা এই কুপন ব্যবহার করে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সনি-র‍্যাংগসের শোরুম থেকে বিশেষ ছাড়ের এই সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের পক্ষে হেড অব মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস এম. শফিকুল ইসলাম এবং র‍্যাংগস ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের পক্ষে সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) মো. জানে আলম ও হেড অব রিটেইল সেলস কে. এম. মোসাদ্দেক উল্লাহ (মুন্না) উপস্থিত ছিলেন। গ্রাহকদের জন্য ভবিষ্যতেও বিভিন্ন খাতে এমন আকর্ষণীয় অফার ও যৌথ সুবিধা চালু করা হবে বলে জানিয়েছে ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ।

চালু হচ্ছে গোল্ড ও সিলভার ফিউচারস

বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সঙ্গে সিএসই প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সঙ্গে সিএসই প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

দেশের প্রথম কমোডিটি ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জ স্থাপনের অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে গোল্ড (স্বর্ণ) ও সিলভার (রৌপ্য) ফিউচারস দিয়ে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (সিএসই)।

সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গভর্নরের সঙ্গে সিএসইর এক প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই তথ্য জানানো হয়। সিএসই চেয়ারম্যান এ কে এম হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি এই বৈঠকে অংশ নেয়।

সাক্ষাৎকালে সিএসইর চলমান কমোডিটি ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জ স্থাপনের অগ্রগতি তুলে ধরা হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর অভিমত ব্যক্ত করেন, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের প্রয়োজনীয় অনুমোদনসাপেক্ষে গোল্ড ও সিলভার ফিউচারস চালুর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের আলাদা কোনো অনুমোদনের বিষয় জড়িত নেই।

বৈঠকে গভর্নর বলেন, দেশের কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য বেসরকারি খাতের ঋণ ও বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি পর্যায়ক্রমে ১০ শতাংশে উন্নীত করা প্রয়োজন। আর এই লক্ষ্য অর্জনে ব্যাংকিং খাতের পাশাপাশি একটি শক্তিশালী, গভীর ও গতিশীল পুঁজিবাজার গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা উদ্যোক্তাদের দীর্ঘমেয়াদি ইকুইটি অর্থায়নের সুযোগ নিশ্চিত করবে। গভর্নর আরও উল্লেখ করেন, সম্প্রতি সিকিউরিটিজ বিক্রয়লব্ধ অর্থ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সহজতর করতে বাংলাদেশ ব্যাংক নিটা (NITA) সংক্রান্ত বিধান সংশোধন করেছে, যা পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আমানত ও ঋণের সুদহারের ব্যবধান হবে ৪ শতাংশ : বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
আমানত ও ঋণের সুদহারের ব্যবধান হবে ৪ শতাংশ : বাংলাদেশ ব্যাংক

ব্যাংকঋণের সুদহার কমিয়ে আনতে ঋণ ও আমানতের সুদহারের ব্যবধান (স্প্রেড) আবারও সর্বোচ্চ ৪ শতাংশে বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

এখন থেকে ক্রেডিট কার্ড ও ভোক্তা ঋণ ছাড়া অন্য সব ধরনের ঋণের ক্ষেত্রে আমানত ও ঋণের গড় সুদহারের ব্যবধান ৪ শতাংশের বেশি রাখা যাবে না। ব্যাংক খাতে ঋণ ও আমানতের গড় সুদের ব্যবধান বর্তমানে ৫ দশমিক ৭২ শতাংশ রয়েছে।

আজ সোমবার এসংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, সাম্প্রতিক সময়ে অনেক ব্যাংক আমানতের সুদহারের তুলনায় ঋণের সুদহার উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে। ফলে ঋণ ও আমানতের গড় সুদহারের ব্যবধান অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে, যা ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প খাতের অর্থায়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। উৎপাদনশীল খাতে ঋণের সুদহার যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ব্যাংক খাতে ঋণ ও আমানতের গড় সুদহারের ব্যবধান ৫ দশমিক ৭২ শতাংশ। কোনো কোনো ব্যাংকে এই ব্যবধান ৭ থেকে ৯ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এর ফলে ঋণের ব্যয় বেড়ে নতুন বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, অনেক ব্যাংক আমানতে তুলনামূলক কম সুদ দিলেও ঋণের ক্ষেত্রে বেশি সুদ নিচ্ছে। আবার কোনো কোনো ব্যাংক কম সুদে আমানত সংগ্রহ করেও সেই অনুপাতে ঋণ বিতরণ করছে না। এসব কারণে স্প্রেডে আবার সীমা আরোপ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, কোনো ব্যাংক যদি গড়ে ৮ শতাংশ সুদে আমানত সংগ্রহ করে, তাহলে তারা সর্বোচ্চ ১২ শতাংশ সুদে ঋণ দিতে পারবে। এতে ধীরে ধীরে ঋণের সুদহার কমে আসবে এবং ঋণগ্রহীতাদের ব্যয়ও কমবে।

এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বরে বাজারভিত্তিক সুদহার ব্যবস্থা চালুর অংশ হিসেবে ঋণ ও আমানতের সুদহারের ব্যবধানের ওপর থাকা ৪ শতাংশের সীমা তুলে দেওয়া হয়েছিল। তখন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ কর্মসূচির আওতায় সুদহারকে বাজারভিত্তিক করার প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এ সীমা প্রত্যাহার করা হয়। তবে বর্তমানে সেই সীমা পুনর্বহাল করল বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতি–সংক্রান্ত অভ্যন্তরীণ কমিটিও সম্প্রতি স্প্রেড আবার সর্বোচ্চ ৪ শতাংশে সীমিত করার সুপারিশ করে। কমিটির মতে, উচ্চ খেলাপি ঋণ ও অতিরিক্ত সুদ ব্যবধানের কারণে ঋণের ব্যয় বেড়েছে। স্প্রেডে সীমা আরোপ করলে ঋণের সুদহার নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং উৎপাদনশীল খাতে অর্থায়ন সহজ হবে।

৪৫ মাস পর ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রিজার্ভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
৪৫ মাস পর ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রিজার্ভ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরো বেড়ে ৪৫ মাস পর গ্রস রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। আজ সোমবার দিন শেষে রিজার্ভ উঠেছে ৩৭ দশমিক শূন্য ৫ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম-৬) পদ্ধতিতে দেশের রিজার্ভ বর্তমানে ৩২ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার।

এর আগে দীর্ঘদিন পর গত বুধবার (২৪ জুন) রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠেছিল। 

এর আগে সর্বশেষ ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামে। সেখান থেকে কমতে কমতে ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ পতনের সময় ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়নে নেমে যায়।

গ্রস রিজার্ভের পাশাপাশি আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, রিজার্ভ ৩২ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। গত বুধবার যা ৩১ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার ছিল।

এর আগে গত ১৪ জুন এডিবির ১০০ কোটি ডলার ঋণ যোগ হওয়ার পর ৩১ বিলিয়নের ঘর ছাড়িয়েছিল।

আইএমএফের ঋণের শর্ত মেনে ২০২৩ সালের জুন থেকে বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভের হিসাব প্রকাশ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ হিসেবে ওই সময় রিজার্ভ ছিল ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

দেশের ইতিহাসে রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে ২০২১ সালের আগস্টে। তবে অর্থপাচার বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে সেখান থেকে দ্রুত কমতে থাকে। একই সঙ্গে ওই সময়ে ৮৪ টাকা থেকে প্রতি ডলারের দর বেড়ে উঠে যায় ১২০ টাকায়। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ কমে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নামে।

২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্সের উচ্চ প্রবাহ রয়েছে। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত ব্যাংকিং চ্যানেলে মোট ৩৫ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। 

আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৫৩০ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছিল প্রায় ২৭ শতাংশ। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে সাময়িক স্বস্তি ফিরেছে।