• ই-পেপার

রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

এপেক্স সেরা কেবিন পরিষেবা পুরস্কার পেল সৌদিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
এপেক্স সেরা কেবিন পরিষেবা পুরস্কার পেল সৌদিয়া
সংগৃহীত ছবি

আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে অনুষ্ঠিত মর্যাদাপূর্ণ ‘এপেক্স পুরস্কার ২০২৬’ অনুষ্ঠানে মধ্যপ্রাচ্যে শ্রেষ্ঠ কেবিন সেবা পুরস্কার অর্জন করেছে সৌদি আরবের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা ‘সৌদিয়া’। বিমান চলাচল শিল্পে উদ্ভাবন ও ভবিষ্যৎ যাত্রী অভিজ্ঞতা নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ‘ভবিষ্যৎ ভ্রমণ অভিজ্ঞতা (FTE) EMEA’-এর অংশ হিসেবে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেশের বাজারে সৌদিয়ার বিশ্বমানের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা ও যাত্রীদের সৌদি আতিথেয়তা প্রদানের অঙ্গীকারকে আরো শক্তিশালী করল।

বাংলাদেশকে সৌদিয়ার অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক বাজার উল্লেখ করে বিমান সংস্থাটির প্রধান অতিথি অভিজ্ঞতা কর্মকর্তা রোসেন দিমিত্রভ বলেন, ‘এই পুরস্কারটি আমাদের কেবিন ক্রুদের পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা এবং সূক্ষ্ম মনোযোগেরই ফল। বৈশ্বিক নেটওয়ার্কজুড়ে সৌদি আতিথেয়তাকে তুলে ধরতে আমরা যাত্রী অভিজ্ঞতায় বিনিয়োগ অব্যাহত রাখছি।’

এই অর্জন সৌদিয়ার বৃহত্তর যাত্রীসেবা রূপান্তর কর্মসূচির অংশ। এর আওতায় তারা ‘নিউ সৌদিয়া এক্সপেরিয়েন্স’ এবং ফ্রন্টলাইন কর্মীদের জন্য ‘সৌদিয়া বিয়ন্ড’ নামের সেবা উৎকর্ষতা কর্মসূচি চালু করেছে। যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন ও মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে সৌদিয়া মূলত ‘সৌদি ভিশন ২০৩০’ এবং দেশটির বিমান ও পর্যটন খাতের লক্ষ্য অর্জনে অবদান রেখে চলেছে।

১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত সৌদিয়া বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বৃহৎ এয়ারলাইন। বর্তমানে তাদের বহরে ১৪৯টি আধুনিক বিমান রয়েছে, যা দিয়ে সংস্থাটি চারটি মহাদেশের প্রায় ১০০টি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

একের পর এক কারখানা বন্ধে হাজারো শ্রমিক বেকার, বাড়ছে অনিশ্চয়তা

অনলাইন ডেস্ক
একের পর এক কারখানা বন্ধে হাজারো শ্রমিক বেকার, বাড়ছে অনিশ্চয়তা
সংগৃহীত ছবি

দেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পে সংকট এখনো কাটেনি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নতুন সরকার দায়িত্ব নিলেও খাতটিতে স্থিতিশীলতা ফিরে আসেনি। বরং একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে বাড়ছে অনিশ্চয়তা। 

সাম্প্রতিক সময়ে গাজীপুর ও সাভারসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে কয়েকটি বড় কারখানা বন্ধ হয়ে কয়েক হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আর্থিক সংকট, ক্রয়াদেশ কমে যাওয়া, উচ্চ সুদের ঋণ, জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং নীতি সহায়তার ঘাটতির কারণে অনেক কারখানা টিকে থাকার লড়াই করছে।

খাত-সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে আগামী মাসগুলোতে আরো কারখানা বন্ধ হতে পারে এবং কর্মসংস্থানের ওপর এর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

ঈদের পর বাড়তে থাকে ছাঁটাই ও কারখানা বন্ধের ঘটনা

কোরবানির ঈদের পর থেকেই পোশাক শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক ছাঁটাই ও কারখানা বন্ধের ঘটনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সাভারের আল-মুসলিম গ্রুপের তিনটি কারখানা থেকে প্রায় ১ হাজার ৮৬৮ শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়েছে। ঈদের ছুটি শেষে কাজে যোগ দিতে এসে শ্রমিকরা জানতে পারেন, তাদের চাকরি আর নেই।

শ্রমিকদের অভিযোগ, যথাযথ পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই তাদের ছাঁটাই করা হয়েছে। অনেকেই বছরের পর বছর একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করলেও হঠাৎ চাকরি হারিয়ে এখন পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।

অন্যদিকে গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকায় অবস্থিত ইউনিক ডিজাইনার্স অ্যান্ড ইউনিক ওয়াশিং লিমিটেড স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। এতে প্রায় ১ হাজার ৮০০ শ্রমিক ও কর্মচারী একসঙ্গে কর্মহীন হয়েছেন।

দুই প্রতিষ্ঠানের ঘটনাই নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—পোশাক খাতের সংকট কি আরো গভীর হচ্ছে?

শ্রমিকদের জীবনে নেমে এসেছে অনিশ্চয়তা

কারখানা বন্ধ বা ছাঁটাইয়ের সবচেয়ে বড় ধাক্কা পড়ছে শ্রমিকদের জীবনে। মাসিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল হাজার হাজার পরিবার হঠাৎ করেই জীবিকার সংকটে পড়েছে।

গাজীপুরের ইউনিক ডিজাইনার্সে কর্মরত বিল্লাল সোহাগের মতো অনেক শ্রমিক জানেন না— আগামী মাসে সংসার কীভাবে চলবে। সন্তানদের পড়াশোনা, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও দৈনন্দিন খরচ নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায় আছেন।

সাভারের ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন কাজ করার পরও তাদের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। কেউ কেউ বলছেন, অভিজ্ঞ শ্রমিকদের তুলনামূলক বেশি বেতন দিতে হয় বলে অনেক প্রতিষ্ঠান ব্যয় কমানোর কৌশল হিসেবে পুরোনো শ্রমিকদের বাদ দিয়ে নতুন শ্রমিক নিয়োগের পথ বেছে নিচ্ছে।

কেন বন্ধ হচ্ছে কারখানা?

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, পোশাক শিল্পের বর্তমান সংকটের পেছনে একাধিক কারণ কাজ করছে।

প্রথমত, আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রয়াদেশের প্রবৃদ্ধি আগের মতো নেই। ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে ভোক্তা চাহিদা কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের রপ্তানিতে।

দ্বিতীয়ত, উৎপাদন ব্যয় ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয়, ডলার সংকট এবং ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদ অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তৃতীয়ত, শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি এবং বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের ফলে শ্রম ব্যয়ও বেড়েছে। যদিও শ্রমিকদের জন্য এটি ইতিবাচক, তবে উৎপাদনশীলতা না বাড়লে অনেক দুর্বল কারখানা অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে পারছে না।

চতুর্থত, দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে থাকা অনেক প্রতিষ্ঠান ব্যাংকঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে কার্যক্রম সংকুচিত করছে কিংবা পুরোপুরি বন্ধ করে দিচ্ছে।

তিন বছরে বন্ধ প্রায় ৪০০ কারখানা

চলতি বছরের এপ্রিলে বিজিএমইএ’র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জানিয়েছিলেন, গত তিন বছরে দেশে প্রায় ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। আরো বহু কারখানা আর্থিক ঝুঁকিতে রয়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, অনেক কারখানা বর্তমানে পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না। ফলে স্থায়ী ব্যয়ের চাপ বেড়ে যাচ্ছে। উৎপাদন কমলেও ব্যাংকঋণের কিস্তি, বিদ্যুৎ-গ্যাস বিল, ভাড়া এবং প্রশাসনিক ব্যয় বহন করতে হচ্ছে নিয়মিত। ফলে ছোট ও মাঝারি অনেক কারখানা টিকে থাকার লড়াইয়ে হেরে যাচ্ছে।

৬০ হাজার কোটি টাকার সহায়তা এখন বাস্তবায়ন হয়নি

বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল মনে করেন, আর্থিক সংকটই বর্তমানে কারখানা বন্ধ হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ। তিনি বলেন, ‘রুগ্ন ও বন্ধপ্রায় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য সরকার ৬০ হাজার কোটি টাকার যে সহায়তা তহবিল ঘোষণা করেছে, তা এখনও বাস্তবায়নের পর্যায়ে পৌঁছায়নি। ফলে সংকটে থাকা কারখানাগুলো কোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা পাচ্ছে না।’

তার মতে, যেসব কারখানা ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে, অথবা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, সেগুলোকে দ্রুত শনাক্ত করে বিশেষ সহায়তা দিতে হবে। অন্যথায় কর্মসংস্থান সংকট আরো প্রকট হতে পারে।

শ্রমিক নেতাদের ক্ষোভ

কারখানা বন্ধ ও ছাঁটাইয়ের ঘটনাগুলো নিয়ে শ্রমিক সংগঠনগুলোর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ রয়েছে। শ্রমিক নেতারা বলছেন, অনেক ক্ষেত্রে শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রমিকদের সব সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে না। বিশেষ করে দীর্ঘদিন কর্মরত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ ও চাকরি-পরবর্তী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তাদের অভিযোগ, ব্যবসায়িক মন্দাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে অনেক প্রতিষ্ঠান ব্যয় কমানোর জন্য শ্রমিক ছাঁটাই করছে। ফলে হাজার হাজার শ্রমিকের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়ছে।

সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

বিশ্লেষকদের মতে, দেশের মোট রফতানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এই খাতে অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে শুধু শ্রমিক নয়, সামগ্রিক অর্থনীতিও চাপের মুখে পড়বে।

বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কর্মসংস্থান ধরে রাখা এবং ঝুঁকিতে থাকা কারখানাগুলোকে টিকিয়ে রাখা। এজন্য দ্রুত আর্থিক সহায়তা, ব্যাংকঋণে বিশেষ সুবিধা, উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ প্রয়োজন।

অন্যথায় একের পর এক কারখানা বন্ধ হওয়ার ধারা অব্যাহত থাকলে বড় মূল্য দিতে হবে শ্রমিকদেরই। যারা বছরের পর বছর দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে কাজ করেছেন, তারাই আজ চাকরি হারিয়ে ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন

ইসলামী ব্যাংকে দ্রুতই এমডি নিয়োগ দেওয়া হবে : অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ইসলামী ব্যাংকে দ্রুতই এমডি নিয়োগ দেওয়া হবে : অর্থমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগে মনোনয়ন চূড়ান্ত, দ্রুতই এই পদে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সংসদে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর এবং সচল করতে আপনার (অর্থমন্ত্রী) মন্ত্রণালয়ের কী কী পরিকল্পনা রয়েছে।

জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ব্যাংক রেজল্যুশন স্কিম, ২০২৫ অনুসারে রেজল্যুশনের আওতাধীন পাঁচটি ব্যাংকের গ্রাহকরা সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে তাদের আমানত উত্তোলন করতে পারছেন। এরই মধ্যে সরকার সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির পরিচালক পর্ষদের চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়েছে এবং তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। তা ছাড়া পর্ষদে পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের জন্য মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান। নতুনভাবে গঠিত পরিচালনা পর্ষদ এ বিভাগের নিবিড় তত্ত্বাবধানে ব্যাংকটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ কার্যকর ও পূর্ণ লেনদেন চালু করার লক্ষ্যে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে সাংগঠনিক কাঠামো এবং চাকরি প্রবিধানমালা প্রস্তুতকরণ, আইটি, সিবিএস, জনবল এবং শাখাসমূহ একীভূতকরণ, কম্পানি সেক্রেটারি, চিফ ফাইন্যান্স অফিসার এবং চিফ টেকনোলজি অফিসার নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান। এসব সম্পন্ন করার মাধ্যমে স্বাভাবিক ব্যাবসায়িক কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হবে।

সঞ্চয়পত্র বিক্রি নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
সঞ্চয়পত্র বিক্রি নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

সঞ্চয়পত্র বিক্রির তালিকাভুক্ত ব্যাংক হওয়া সত্ত্বেও গ্রাহকদের বিভিন্ন উপায়ে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সঞ্চয়পত্র বিক্রি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট (ডিএমডি) থেকে জারি করা এক সার্কুলারে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) কাছে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন পর্যায়ের গ্রাহকদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে যে, সঞ্চয়পত্র বিক্রির জন্য অনুমোদিত থাকা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংক নানা প্রক্রিয়ায় গ্রাহকদের সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত করছে। বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এসেছে।

এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সঞ্চয়পত্র রুলস, ১৯৭৭-এর অনুচ্ছেদ-৩ অনুযায়ী ব্যাংকগুলোকে সঞ্চয়পত্রের ইস্যু অফিস হিসেবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের কাছে সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান এবং সেবার মান নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোর শাখা পর্যায়ে সঞ্চয়পত্র সংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করতে হবে। পাশাপাশি গ্রাহকদের অভিযোগ গ্রহণের ব্যবস্থা শাখার দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন এবং অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

ডিএমডির পরিচালক ইস্তেকমাল হোসেন সই করা নির্দেশনায় সঞ্চয়পত্র বিক্রিসহ সংশ্লিষ্ট সব সেবা যথাযথভাবে নিশ্চিত করার জন্য ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।