• ই-পেপার

ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন উদযাপনে রাজধানীতে অনাড়ম্বর আয়োজন

‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি করা জামায়াত এমপির দুঃখ প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি করা জামায়াত এমপির দুঃখ প্রকাশ
সংগৃহীত ছবি

নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি করেন নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম। বাস্তবে তার বাবা-মা জীবিত থাকায় 
সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। পরে তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত বক্তব্যের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

গত রবিবার সংসদের বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় আব্দুল মুনতাকিম এ দাবি করেন।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম তার ভুল স্বীকার করেন। তিনি বলেন, সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ভুল তথ্য ও শব্দ উচ্চারিত হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

আব্দুল মুনতাকিমের বাবা আব্দুল কাদের সৈয়দী এবং মা মোসলমান বেগম এখনো বেঁচে আছেন এবং তারা সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের ধলাগাছ গ্রামে ছেলের সঙ্গেই বসবাস করেন।

আব্দুল মুনতাকিমের নির্বাচনি হলফনামা অনুযায়ী, নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের এই সংসদ সদস্যের জন্ম ১৯৮১ সালে, অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের প্রায় ১০ বছর পর।

হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তার বয়স ছিল ৪৪ বছর ১১ মাস ২০ দিন। ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া একজন ব্যক্তির পক্ষে শহীদের সন্তান হওয়া নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা।

বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলা সেই এমপির বাবা এখনো জীবিত

অনলাইন ডেস্ক
বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলা সেই এমপির বাবা এখনো জীবিত
সংসদে বক্তব্য দেন নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম। ছবি : সংগৃহীত

নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) আব্দুল মুনতাকিম।

গত রবিবার (১৪ জুন) সংসদের বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় আব্দুল মুনতাকিম এ দাবি করেন। তবে বাস্তবে তার বাবা-মা এখনো জীবিত আছেন।

জানা গেছে, আব্দুল মুনতাকিমের বাবা আব্দুল কাদের সৈয়দী এবং মা মোসলমান বেগম এখনো বেঁচে আছেন এবং তারা সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের ধলাগাছ গ্রামে ছেলের সঙ্গেই বসবাস করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম তার ভুল স্বীকার করেন। তিনি বলেন, সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ভুল তথ্য ও শব্দ উচ্চারিত হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

আব্দুল মুনতাকিমের নির্বাচনি হলফনামা অনুযায়ী, নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের এই সংসদ সদস্যের জন্ম ১৯৮১ সালে, অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের প্রায় ১০ বছর পর। এ ছাড়া তার বাবা আব্দুল কাদের সৈয়দী এবং মা মোসলমান বেগম দুজনেই বর্তমানে জীবিত আছেন।

হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তার বয়স ছিল ৪৪ বছর ১১ মাস ২০ দিন। ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া একজন ব্যক্তির পক্ষে শহীদের সন্তান হওয়া নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

সীমান্তে পুশ ইন তৎপরতায় মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে : সাইফুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক
সীমান্তে পুশ ইন তৎপরতায় মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে : সাইফুল হক
ফাইল ছবি

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের পশ্চিমাংশের বিভিন্ন পয়েন্টে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পুশ ইন তৎপরতায় সীমান্তে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।

তিনি বলেছেন, বিএসএফ শিশু-নারীসহ কয়েকশ মানুষকে বলপ্রয়োগ করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঠেলে দিয়ে চরম অমানবিক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। বুধবার (১৭ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সাইফুল হক এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, পুশ ইন করা মানুষদের একটা অংশকে সীমান্তের শূন্য রেখায় (নো ম্যানস ল্যান্ড) ঠেলে দেওয়া হয়েছে। খাদ্য, পানীয় ও চিকিৎসা না পেয়ে এদের কারও কারও জীবনাশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কয়েকশ মানুষকে বাংলাদেশে পুশ ইন করার এই তৎপরতায় তীব্র অসন্তোষ ও নিন্দা জানান তিনি।

সাইফুল হক বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হওয়ার পর ভারতের বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা নতুন মাত্রা নিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে তীব্র উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা সীমান্তের মানুষের মধ্যে গভীর নিরাপত্তাহীনতার জন্ম দিয়েছে। বিএসএফের এসব তৎপরতা তাদের বাংলাদেশ-বিদ্বেষী আগ্রাসী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ।

বিবৃতিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, উভয় দেশে অবস্থানরত বৈধ নাগরিকদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠাবার নির্দিষ্ট আইনি ও বৈধ প্রক্রিয়া রয়েছে। আইনগত এই প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে জবরদস্তিমূলক পুশ ইন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি আন্তর্জাতিক আইনেরও গুরুতর লঙ্ঘন।

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত যদি প্রকৃত বন্ধুত্ব চায়, তবে অবিলম্বে এই পুশ ইন তৎপরতা ও সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে বলে বিবৃতিতে দাবি জানান সাইফুল হক।

আরবি নববর্ষ উপলক্ষে দেশবাসীকে জামায়াত আমিরের শুভেচ্ছা

হিজরি সন মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ : ডা. শফিকুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
হিজরি সন মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ : ডা. শফিকুর রহমান
ডা. শফিকুর রহমান। ফাইল ছবি

পবিত্র হিজরি নববর্ষ ১৪৪৮ উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৬ জুন) এক বিবৃতিতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান।

বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সা.) এবং তার সাহাবিগণের মক্কা থেকে মদিনায় ঐতিহাসিক ‘হিজরত’-এর মহান স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখতে এই সনের গণনা শুরু হয়। হিজরি সন মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।

তিনি উল্লেখ করেন, হিজরত কেবল কোনো সাধারণ স্থান পরিবর্তন ছিল না; বরং তা ছিল জুলুম, অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে ন্যায়, ইনসাফ ও সত্যের এক গৌরবময় বিজয় এবং ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক বাঁক বদল।

জামায়াতের আমির বলেন, বিদায়ী বছরের সব ভুলত্রুটি, ব্যর্থতা ও গ্লানি মুছে ফেলে নতুন বছরে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ইসলামের সুমহান আদর্শকে ধারণ করার শপথ নিতে হবে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি ও দেশের চলমান প্রেক্ষাপটে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং পারস্পরিক সহমর্মিতা অত্যন্ত জরুরি। হিজরতের ত্যাগ ও কোরবানির চেতনা বুকে ধারণ করে সমাজ থেকে সব ধরনের অন্যায়, দুর্নীতি ও বৈষম্য দূর করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

বিবৃতিতে তিনি মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে দোয়া করে বলেন, ‘নতুন হিজরি বছর আমাদের ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া, ন্যায়বিচার, সততা ও মানবকল্যাণের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করুক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

দেশকে সকল সংকট, অস্থিরতা ও বিভেদ থেকে মুক্ত রাখার প্রার্থনা জানিয়ে তিনি একটি ইনসাফভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান।