• ই-পেপার

হত্যা মামলায় দেশ টিভির সাবেক এমডি আরিফ হাসান ফের গ্রেপ্তার

ইকরার মৃত্যু

আত্মসমর্পণ করলেন অভিনেতা জাহের আলভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আত্মসমর্পণ করলেন অভিনেতা জাহের আলভী

স্ত্রী আফরা ইভনাথ ইকরার মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে নিয়ামত উল্লাহ ভুঁইয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে এ সংক্রান্ত শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসে বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। 

২০১০ সালে আলভী ও ইকরা বিয়ে করেন। তাদের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।

১২৭ বারের মত পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
১২৭ বারের মত পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ১২৭ বার পিছিয়ে আগামি ২২ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার  (১৮ জুন )মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী এ দিন নির্ধারণ করেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের সাব-ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম রাসেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ মামলার আসামিরা হলেন–রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের ‘বন্ধু’ তানভীর রহমান খান। এদের মধ্যে তানভীর জামিনে রয়েছে। পলাশ রুদ্র পাল জামিনে গিয়ে পলাতক। অপর আসামিরা কারাগারে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর দম্পতি সাগর ও রুনি হত্যার ঘটনায় করা মামলার তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশও দেওয়া হয়। একইসঙ্গে মামলার তদন্ত থেকে র‌্যাবকে সরিয়ে দেওয়ারও আদেশ দেওয়া হয়। গত বছরের ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন নিরাপত্তা বিভাগ থেকে টাস্কফোর্স গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়।

এজলাসে অসুস্থ সাবেক এমপি তুহিন, জানতে চাইলেন প্রেসার বাড়ল না কমল বুঝব কেমনে

নিজস্ব প্রতিবেদক
এজলাসে অসুস্থ সাবেক এমপি তুহিন, জানতে চাইলেন প্রেসার বাড়ল না কমল বুঝব কেমনে
ছবি: কালের কণ্ঠ

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির পরবর্তী দিন আগামী ১৪ জুলাই নির্ধারণ করেছেন আদালত। বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালত এই তারিখ নির্ধারণ করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. জাকির হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, আজ শুনানির জন্য এ মামলায় কারাগারে থাকা ২৬ আসামিকে কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়। এদের মধ্যে ২১ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী আসামি ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতেই অভিযোগ গঠন শুনানি শুরু হয়।

শুনানি চলাকালীন একপর্যায়ে এজলাস কক্ষেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও মামলার আসামি সাবিনা আক্তার তুহিন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে এজলাস কক্ষের একটি বেঞ্চে বসিয়ে মাথায় পানি দেওয়া হয়।

এ সময় তুহিন কারাগারে খাবারের কষ্টের কথা তুলে ধরে তার আইনজীবী পলাশী মজুমদারকে উদ্দেশ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘আমারে যা করার করুক। আর যেন আমাদের না আনে। সেই ভোরবেলা নিয়ে আসা হয়েছে। খারাপ লাগছে। মনে হয় ডায়াবেটিস নেমে গেছে। প্রেসার বাড়ল না কমল তা বুঝব কেমনে। কোনো আইন নাই, রুলস নাই।’

নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে সাবেক এই সংসদ সদস্য আরো বলেন, ‘আমি ডায়াবেটিস, হার্টের রোগী। ভোরবেলা নিয়ে আসা হয়। কলা আর রুটি দেয়। কলা খেতে পারি না, নষ্ট। আর আমাদের কোনো খাবার দেয় না। আমরা আর তো পারি না। সকাল থেকে বসায় রাখছে।’

আজ আদালতে সাবিনা আক্তার তুহিনসহ কয়েকজন আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবীরা অব্যাহতি চেয়ে শুনানি শেষ করেন। অন্যদিকে, বাকি কয়েকজন আসামির আইনজীবীরা অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

গত বছরের ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে আদালতে এই মামলাটি করেন সিআইডির সহকারী বিশেষ পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক। তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়।

এরপর গত বছরের ১৪ আগস্ট আদালত এই অভিযোগপত্র গ্রহণ করে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় এবং ১৪ অক্টোবর শেখ হাসিনাসহ ২৬১ জনকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন আদালত। পরবর্তীতে ১১ নভেম্বর মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়।

সর্বশেষ গত ২৩ ফেব্রুয়ারি মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ থেকে বর্তমান ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালতে বদলি করা হয়।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর একটি জুম মিটিংয়ে শেখ হাসিনাসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। ওই মিটিংয়ে শেখ হাসিনা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উৎখাত করার নির্দেশনাসহ দেশবিরোধী বক্তব্য দেন, যা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ১৪ জুলাই

বাসস
হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ১৪ জুলাই
শেখ হাসিনা

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ১৪ জুলাই দিন ধার্য করেছেন ঢাকার একটি আদালত।

‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ নামের এক সংগঠনের জুম মিটিংয়ে অংশ নিয়ে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এ মামলা দায়ের করা হয়।

আজ ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালতে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করতে শুনানি করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন।

তবে এদিন আসামিপক্ষের শুনানি শেষ না হওয়ায় পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৪ জুলাই দিন ধার্য করা হয়।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী গোলাম নবী বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, শেখ হাসিনাসহ মোট ২৮৬ জন আসামির মধ্যে ২৫৯ জন পলাতক রয়েছেন। অপরদিকে ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের সাবেক সভাপতি ও সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিনসহ ২৭ জন গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ নামে একটি গ্রুপের জুম মিটিং হয়। সেখানে পলাতক শেখ হাসিনাকে গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতায় আনা এবং তা নিশ্চিত করার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। ওই মিটিংয়ে দেশ-বিদেশ থেকে মোট ৫৭৭ জন অংশ নেন এবং শেখ হাসিনার সব নির্দেশ পালন করার ব্যাপারে সবাই একমত প্রকাশ করেন।

ড. রাব্বি আলমের (যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি) হোস্টিংয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং হোস্ট, কো-হোস্ট ও অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীদের কথোপকথনে ভয়েস রেকর্ড পর্যালোচনায় ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ নামক প্ল্যাটফর্মে দেশ-বিদেশ থেকে অংশগ্রহণকারীগণ বৈধ সরকারকে শান্তিপূর্ণভাবে দেশ পরিচালনা করতে দেবে না মর্মে আলোচনা হয়।

সেইসঙ্গে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম মিটিংয়ে সরকারকে উৎখাত করার জন্য গৃহযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধের সুস্পষ্ট উপাদান রয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হওয়ায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক।

পরে সিআরপিসি’র ১৯৬ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে সিআইডির এই কর্মকর্তাকে মামলা তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১৪ আগস্ট ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশন্স) মো. এনামুল হক।

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের সাবেক সভাপতি সাবিনা আক্তার তুহিন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ড. রাব্বি আলম, জয় বাংলা ব্রিগেডের সদস্য কবিরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, এলাহী নেওয়াজ মাছুম, জাকির হোসেন জিকু, প্রফেসর তাহেরুজ্জামান, এ. কে. এম. আক্তারুজ্জামান, আজিদা পারভীন পাখি, শাহীন, অ্যাডভোকেট এ. এফ. এম. দিদারুল ইসলাম, মাকসুদুর রহমান, সাবেক এমপি সৈয়দ রুবিনা আক্তার, সাবেক এমপি পংকজ নাথ, লায়লা বানু, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, রিতু আক্তার, নুরুন্নবী নিবির, সাবিনা বেগম ও শরিফুল ইসলাম রমজান।